রপ্তানি বহুমুখীকরণ: আর কত অপেক্ষা
এক খাতের ওপর নির্ভর করে উচ্চ আয়ের দেশ হওয়ার স্বপ্ন দেখা ঝুঁকিপূর্ণ। এখনই সময় নতুন খাতকে নীতিসহায়তা দেওয়ার।
গত চার দশকে আমাদের রপ্তানি আয় বহুগুণ বেড়েছে, এ কথা সত্য। কিন্তু সেই আয়ের চার-পঞ্চমাংশই আসে একটি খাত থেকে। বৈশ্বিক চাহিদায় সামান্য ধাক্কা লাগলেই তাই পুরো অর্থনীতি কেঁপে ওঠে।
ভিয়েতনাম বা মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা বলে, ইলেকট্রনিকস, ওষুধ ও হালকা প্রকৌশলের মতো খাতে পরিকল্পিত প্রণোদনা দিলে কয়েক বছরের মধ্যেই রপ্তানির চিত্র বদলে দেওয়া যায়। আমাদের সম্ভাবনাময় খাতগুলো এখনো নীতিগত মনোযোগ থেকে বঞ্চিত।
প্রণোদনা মানে শুধু নগদ সহায়তা নয়। দক্ষ জনবল, সহজ শুল্কপ্রক্রিয়া, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি আর বন্দরের দক্ষতা—এগুলোই আসলে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা তৈরি করে।
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর বাণিজ্যসুবিধা কমবে। সেই বাস্তবতায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ আর বিলাসিতা নয়, টিকে থাকার শর্ত।




মন্তব্য (০)