সর্বশেষ প্রকাশিত

৯ম পে-স্কেল ও ৭ দফা দাবিতে সারা দেশে সরকারি কর্মচারীদের প্রতীকী অনশন

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সংগতি রেখে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীসহ সারা দেশে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করছে সরকারি কর্মচারীরা। ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয়ভাবে এই অনশন পালিত হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের ৬৪টি জেলার প্রেসক্লাব ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে এই কর্মসূচি চলছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

প্রধান দাবিগুলো:

ঐক্য পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে বাজারের যে অবস্থা, তাতে সাধারণ কর্মচারীদের পক্ষে পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাদের প্রধান ৭টি দাবি হলো:

  • অবিলম্বে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পে-কমিশন গঠন।

  • সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩৫,০০০ টাকা নির্ধারণ।

  • পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান।

  • আগের মতো টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পদ্ধতি পুনঃস্থাপন।

  • সচিবালয় ও অন্যান্য সকল দপ্তরের জন্য অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন।

  • সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুলভ মূল্যে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা।

  • বেতন গ্রেডের বৈষম্য দূর করে ১:৪ অনুপাত নিশ্চিত করা।

নেতাদের বক্তব্য:

অনশন কর্মসূচিতে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলি বলেন, “সরকার পে-কমিশন গঠন করলেও রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হোক। দ্রব্যমূল্যের এই বাজারে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।”

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুত তাদের এই ন্যায্য দাবিগুলো পূরণ করা না হয়, তবে আগামীতে তারা কর্মবিরতির মতো আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।

এদিকে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বেতন কমিশনের চূড়ান্ত সভা আগামী ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আন্দোলনরত কর্মচারীদের দাবি, কালক্ষেপণ না করে দ্রুতই যেন কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সংগতি রেখে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণা এবং সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীসহ সারা দেশে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করছে সরকারি কর্মচারীরা। ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয়ভাবে এই অনশন পালিত হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের ৬৪টি জেলার প্রেসক্লাব ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে এই কর্মসূচি চলছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।প্রধান দাবিগুলো:
ঐক্য পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছর অতিবাহিত হলেও নতুন কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে বাজারের যে অবস্থা, তাতে সাধারণ কর্মচারীদের পক্ষে পরিবার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাদের প্রধান ৭টি দাবি হলো:অবিলম্বে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পে-কমিশন গঠন।সর্বনিম্ন মূল বেতন ৩৫,০০০ টাকা নির্ধারণ।পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান।আগের মতো টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পদ্ধতি পুনঃস্থাপন।সচিবালয় ও অন্যান্য সকল দপ্তরের জন্য অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রণয়ন।সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুলভ মূল্যে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা।বেতন গ্রেডের বৈষম্য দূর করে ১:৪ অনুপাত নিশ্চিত করা।নেতাদের বক্তব্য:
অনশন কর্মসূচিতে সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলি বলেন, "সরকার পে-কমিশন গঠন করলেও রিপোর্ট প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে। আমরা চাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হোক। দ্রব্যমূল্যের এই বাজারে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।"কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দ্রুত তাদের এই ন্যায্য দাবিগুলো পূরণ করা না হয়, তবে আগামীতে তারা কর্মবিরতির মতো আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।এদিকে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বেতন কমিশনের চূড়ান্ত সভা আগামী ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আন্দোলনরত কর্মচারীদের দাবি, কালক্ষেপণ না করে দ্রুতই যেন কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Hacklink Hacklink Satış бэклинки marsbahis hacklink market casibom marsbahis - marsbahis giriş