নবম পে-স্কেল: ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সুপারিশ জমার লক্ষ্য, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো
সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার সম্ভাব্য সময়সীমা নির্ধারণ করেছে পে-কমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি বা জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে কমিশন তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে পেশ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
অমীমাংসিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সুপারিশ জমার সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
নতুন পে-স্কেলে গ্রেড সংখ্যা কত হবে।
সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ বেতন কাঠামো কীভাবে নির্ধারিত হবে।
অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সুযোগ-সুবিধার বিন্যাস।
প্রয়োজন আরও দুটি পূর্ণাঙ্গ সভা সূত্রটি নিশ্চিত করেছে যে, এই অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য কমিশনের হাতে খুব বেশি সময় নেই। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তত দুটি ‘পূর্ণ কমিশনের সভা’ (Full Commission Meeting) আয়োজন করা হবে। এই সভাগুলোতে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বিষয়গুলো চূড়ান্ত করার পরই কমিশন তাদের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেবে।
সরকারি কর্মচারীরা আশা করছেন, কমিশনের এই সুপারিশের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের বেতন ও গ্রেড বৈষম্যের অবসান ঘটবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে একটি সম্মানজনক বেতন কাঠামো পাওয়া যাবে।
একনজরে যা জানা গেল:
সম্ভাব্য ডেডলাইন: ১৫ জানুয়ারি (জানুয়ারির মাঝামাঝি)।
বাকি কাজ: গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণ।
পরবর্তী পদক্ষেপ: অন্তত দুটি পূর্ণাঙ্গ কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে।


