বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সত্যের দাবি, সবার আগে

ব্রেকিং
বাংলাদেশ জার্নালচাকরির ফাঁদে রাশিয়ার রণাঙ্গনে বাংলাদেশিরা! ইত্তেফাক‘একটি আক্ষেপই তাড়া করে ফিরছে, কেউ যদি আব্বুকে বসতে দিতেন’ আজকের পত্রিকাইবিতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে শিক্ষার্থীদের নোটিশ হল প্রশাসনের জাগো নিউজ ২৪পরীমনি বললেন, শুধু কি ফুল পাঠায়! ফলও পাঠায় আজকের পত্রিকাব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশ নেই মুশফিক বাংলা ট্রিবিউনবেকারদের জন্য চাকরির দরজা খুলবে কবে? জাগো নিউজ ২৪রাবি অধ্যাপককে হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে আজকের পত্রিকাঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের ঢাকা পোস্টঢাকার বাতাস আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ জাগো নিউজ ২৪জ্বালানি আমদানির বিল পরিশোধের চাপে ডলারের দাম ঊর্ধ্বমুখী

শিক্ষাক্রম বদলালেই কি শিক্ষা বদলায়

নতুন শিক্ষাক্রমের সাফল্য নির্ভর করবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের প্রস্তুতির ওপর। সেখানেই আমাদের বিনিয়োগ সবচেয়ে কম।

প্রতিটি নতুন শিক্ষাক্রম আসে বড় প্রত্যাশা নিয়ে। কাগজে-কলমে সেগুলো চমৎকার—মুখস্থনির্ভরতা কমানো, দক্ষতা বাড়ানো, শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রে রাখা। কিন্তু শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, বদলায়নি প্রায় কিছুই।

কারণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ হয় তাড়াহুড়ো করে, কয়েক দিনের কর্মশালায়। একজন শিক্ষককে যে নতুন পদ্ধতিতে পড়াতে বলা হচ্ছে, তিনি নিজে কখনো সেভাবে শেখেননি।

শিক্ষকের বেতন, মর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়নে বিনিয়োগ না বাড়ালে কোনো শিক্ষাক্রমই কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না। শিক্ষা সংস্কারের প্রথম অধ্যায়টা তাই শিক্ষককে নিয়েই লিখতে হবে।

নাসরিন সুলতানা

শিক্ষাবিদ ও গবেষক। শিক্ষা ও নারী উন্নয়ন বিষয়ে লেখেন।

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য প্রকাশের আগে মন্তব্য নীতিমালা পড়ুন।