সর্বশেষ প্রকাশিত

📢 সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার মান নিয়ে প্রশ্ন: অবিলম্বে নতুন পে-স্কেল ঘোষণার দাবি

দেশের সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অবিলম্বে নতুন পে-স্কেল (বেতন কাঠামো) ঘোষণার জোরালো দাবি উঠেছে। নিজেদের অর্থনৈতিক বঞ্চনার কথা তুলে ধরে, একাধিক কর্মচারী নেতা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং সম্মুখ সারি থেকে নিরলস পরিশ্রম দেওয়া সত্ত্বেও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, সরকারি চাকরিতে সম্মান থাকলেও, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির বাজারে সেই সম্মান ‘পেটে ভাত’ জোগাতে পারছে না।

👉 “চেয়ারের চিন্তা করিনি, চিন্তা করেছি আপনাদের”

সংগঠনের এক নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা কখনো চেয়ারের চিন্তা করিনি, আমরা আপনাদের সকলের চিন্তা করি।” তিনি জানান, সমাজের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাওয়ার তাগিদেই তিনি ঘর-বাড়ি এমনকি মাকে পর্যন্ত চিরদিনের জন্য ছেড়েছেন। তবুও তিনি তার সহকর্মী ভাই-বোনদের নিয়ে এই আন্দোলনে অবিচল থাকতে চান।

কর্মচারীরা মনে করছেন, প্রতিবাদের ভাষা নরম হতে পারে না। দাবির পক্ষে কঠোর ও অবিচল থাকতে হবে, তাহলেই জীবনের অর্থনৈতিক মুক্তি মিলবে।

🍔 শুধু ৩ বেলার খাবার ও মানসিক শান্তি চাই

কর্মচারীদের মূল দাবি অত্যন্ত সরল। তাদের প্রত্যাশা:

  • তিন বেলার খাবার নিশ্চিত করা।

  • পরিবারকে নিয়ে মানসিক শান্তিতে বসবাস করা।

  • শান্তিতে চাকরি করা।

নেতা প্রশ্ন রাখেন, “আমরা যদি না চলতে পারি? টাকার অভাবে পরিবারের দায়িত্ব পালন করতে না পারি? বাবা-মায়ের চিকিৎসা সেবা না দিতে পারি? তাহলে সরকারি চাকরি করে কি হবে?”

🎓 শিক্ষার মূল্য বনাম জীবনযাত্রার বাস্তবতা

শিক্ষিত ও চাকরিজীবীদের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে এক চরম হতাশা প্রকাশ পেয়েছে। বক্তব্যে বলা হয়, “এতো এতো লেখাপড়া করে একটা চাকরি নিয়ে যদি বেতন বৃদ্ধির আন্দোলন করতে হয়, তাহলে কেনো লেখাপড়া করেছিলাম?”

তুলনামূলক চিত্রে একজন কর্মচারী তার পাশের বাড়ির বন্ধুর উদাহরণ দেন, যে কিনা এসএসসিও পাশ করেনি, কিন্তু সঠিক সময়ে কাজ করে আজ লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। অপরদিকে, সরকারি চাকরিজীবী হয়েও কোনো ব্যাংক ব্যালেন্স বা বাড়ি করতে পারেননি।

বক্তব্যে আক্ষেপ করে বলা হয়, “চাকরিজীবির সম্মান আছে বটে, তবে দিনশেষে পেটে ভাত না থাকলে সম্মান দিয়ে কি করবো?”

📣 সরকারের প্রতি স্পষ্ট বার্তা: আগে ভাত, পরে সম্মান

সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে: “আমাদের আগে ভাত দেন, খেয়ে বাঁচি, পরিবারকে বাঁচাই। অতএব অবিলম্বে পে-স্কেল ঘোষণা করুন।

কর্মচারীরা চান, সরকার ও তাদের মধ্যে এই বিষয়ে অবিলম্বে আলোচনা শুরু হোক। সরকার কী চায় এবং কর্মচারীরা কী চায়—এই বিষয়গুলো দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে স্পষ্ট করে একটি টেকসই সমাধানে আসা প্রয়োজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Hacklink Hacklink Satış бэклинки marsbahis hacklink market casibom marsbahis - marsbahis giriş