নবম পে-স্কেলের দাবিতে উত্তাল রাজপথ: ১-৩ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা
আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা তিনদিন সারা দেশে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’। নবম পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশের দাবিতে এবং সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও কারণ
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতাদের মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা এখন সময়ের দাবি। তারা অভিযোগ করেন যে, সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সরকার বারবার আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এর ফলে মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীদের মধ্যে চরম হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
কর্মসূচির সময়সূচী
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী রবিবার, সোমবার ও মঙ্গলবার (১-৩ ফেব্রুয়ারি) প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে এই প্রতিবাদ পালিত হবে:
সময়: প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত।
ধরন: অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ সমাবেশ।
নেতাদের কঠোর হুঁশিয়ারি
ঐক্য পরিষদের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ কোনো দয়া নয়, বরং এটি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার। তারা বলেন:
“আর কোনো টালবাহানা বা কালক্ষেপণ মেনে নেওয়া হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেশের সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনদিনের কর্মসূচি যদি সফল হয়, তবে তা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সরকারের পক্ষ থেকে এই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে কোনো নতুন ঘোষণা বা আলোচনার প্রস্তাব আসে কি না।

