পে কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট আসছে, কর্মচারীদের জন্য ‘সুখবর’ এর অপেক্ষা!
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বহু প্রতীক্ষিত পে কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জমা পড়তে চলেছে। আজ (বুধবার) আবারও পে কমিশনের সাথে বিভিন্ন দপ্তরের সচিব মহোদয়দের উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মচারী বান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি
সূত্র মারফত জানা গেছে, এবারের পে কমিশনকে ‘কর্মচারী বান্ধব’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং কর্মচারীদের প্রতি কমিশনের যথেষ্ট আন্তরিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। বৈঠকগুলোতে কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দিকগুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
কর্মচারী সংগঠনগুলির মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি হয়েছে যে এই নতুন পে কমিশন সরকারি কর্মীদের জন্য একটি ইতিবাচক ও সন্তোষজনক বেতন কাঠামো সুপারিশ করবে।
⏳ এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আজকের সভার আলোচনার ভিত্তিতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কমিশন তাদের চূড়ান্ত সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দেবে। রিপোর্ট জমা পড়ার পরই তা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পেশ করা হবে।
কর্মচারীদের প্রত্যাশা:
একটি সম্মানজনক ও বাস্তবসম্মত বেতন বৃদ্ধি।
ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার যৌক্তিকীকরণ।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন কাঠামো।
চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ হলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে এবং নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার পথ সুগম হবে। সবাই আল্লাহর রহমত ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করছেন।
পে স্কেল কি ২০২৫ সালে কার্যকর হবে?
নতুন পে স্কেল ২০২৫ সালে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে কমিশনের রিপোর্ট ও গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এই বছরের শেষ দিকে চূড়ান্ত হওয়ার কথা। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
কার্যকরের সম্ভাব্য সময়সূচি:
চূড়ান্ত সুপারিশ জমা: পে কমিশন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
গেজেট প্রকাশ: চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুমোদনের পর ডিসেম্বরের শেষে বা ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরুতে গেজেট প্রকাশ হতে পারে।
কার্যকর হওয়ার তারিখ: গেজেট প্রকাশের পর এটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যদিও সর্বশেষ পে স্কেল হওয়ার কথা ছিল ২০২০ ও ২০২৫ সালে, কিন্তু সেটি না হওয়ায় এবার দ্রুত কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নতুন বেতন কাঠামো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ রাখা হবে। এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সরকারি ঘোষণা বা গেজেট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট তারিখ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

