ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঐক্য পরিষদ নেতা আশিকুল ইসলামের তীব্র নিন্দা ও তদন্তের দাবি
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সমন্বয়ক আশিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির অফিস কক্ষে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের একটি সভা চলাকালীন আশিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রচারণার বিষয়টি সামনে আসে। আশিকুল ইসলামের দাবি, একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে সামাজিক ও সাংগঠনিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে
আশিকুল ইসলাম তার প্রতিবাদী বিবৃতিতে উল্লেখ করেন:
ভিত্তিহীন প্রচারণা: তার বিরুদ্ধে প্রচারিত সকল তথ্য সম্পূর্ণ অসত্য এবং এটি তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে করা হয়েছে।
আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা: তিনি মনে করেন, এই ধরনের অপপ্রচার চলমান সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায়ের আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার এবং নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
সংশ্লিষ্টতা নাকচ: বিবৃতিতে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে, উত্থাপিত কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেই তার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।
“একটি কুচক্রী মহল আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার ঘৃণ্য অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আমি এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাই।” — আশিকুল ইসলাম।
সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
বিবৃতিতে তিনি সংগঠনের শৃঙ্খলা ও সত্য উদঘাটনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ ওয়ারেছ আলী-র হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি জোরালো দাবি জানান যেন:
বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়।
প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।
দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
সাংগঠনিক প্রতিক্রিয়া
এই বিষয়ে ঐক্য পরিষদের সাধারণ কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে মনে করছেন, আন্দোলনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা মিথ্যা অপপ্রচার সাধারণ কর্মচারীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। নেতৃত্ব এই সংকটের দ্রুত সমাধান করবেন বলে সাধারণ সদস্যরা প্রত্যাশা করছেন।

