সর্বশেষ প্রকাশিত

সরকারি নারী কর্মচারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রজ্ঞাপন: বিধিমালায় যা রয়েছে

সরকারি চাকুরিজীবী নারী কর্মচারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ এবং সংখ্যা নিয়ে প্রশাসনিক দপ্তরে প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দেয়। বিশেষ করে নথিপত্র উপস্থাপনের সময় সঠিক রেফারেন্স বা বিধির উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (BSR) পার্ট-১ এর বিধি-১৯৭ (১) এর আলোকে এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন বা প্রজ্ঞাপন বিদ্যমান, যা প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তার জানা থাকা জরুরি।

প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষাপট ও মূল বিধান

১৯৮৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ শাখা (শাখা-২) থেকে জারি করা S.R.O. 385-L/85 নম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, পার্ট-১ এ একটি বিশেষ সংশোধনী আনা হয়।

এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিধি-১৯৭, উপ-বিধি (১) এর শেষে একটি নতুন শর্ত (Proviso) যুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে:

“Provided that such leave with pay and allowances shall not be admissible more than twice during the tenure of service of a female Government Servant.”

অর্থাৎ, একজন নারী সরকারি কর্মচারী তাঁর সমগ্র চাকরি জীবনে দুইবারের বেশি বেতন ও ভাতাসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রাপ্য হবেন না।

নথি উপস্থাপনে এর গুরুত্ব

প্রশাসনিক কাজে যখন কোনো নারী কর্মচারীর ছুটির আবেদন প্রক্রিয়া করা হয়, তখন কেবল মৌখিক তথ্য বা সাধারণ ধারণা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া আইনসম্মত নয়। যারা নথি বা নোট উপস্থাপন করেন, তাঁদের জন্য এই প্রজ্ঞাপনের রেফারেন্সটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • সঠিক রেফারেন্স প্রদান: নথিতে বিএসআর বিধি-১৯৭(১) এর সাথে এই প্রজ্ঞাপনের সূত্র উল্লেখ করলে সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।

  • আইনি জটিলতা নিরসন: দুইবারের বেশি ছুটির আবেদন এলে এই বিধির আলোকে সেটি যাচাই করার সুযোগ থাকে।

  • স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ: সরকারি আদেশ বা বিধি অনুসরণ করে নথি উপস্থাপন করলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

এক নজরে প্রজ্ঞাপনের তথ্য:

  • মন্ত্রণালয়: অর্থ মন্ত্রণালয় (অর্থ বিভাগ, নিয়ন্ত্রণ শাখা)।

  • স্মারক নম্বর: MF(FD)/R-II/Leave-10/84(Part-I)/174(1000)।

  • তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ (মূল প্রজ্ঞাপন)।

  • সংশোধিত বিধি: BSR Part-I, Rule-197(1)।

সরকারি চাকরিবিধির এমন সূক্ষ্ম বিষয়গুলো নথিতে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না এবং দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আসে। সংশ্লিষ্ট মহলের জন্য এই ১৯৮৫ সালের প্রজ্ঞাপনটি তাই আজও একটি অপরিহার্য দলিল।

সরকারি চাকুরিজীবী নারী কর্মচারীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ এবং সংখ্যা নিয়ে প্রশাসনিক দপ্তরে প্রায়ই বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দেয়। বিশেষ করে নথিপত্র উপস্থাপনের সময় সঠিক রেফারেন্স বা বিধির উল্লেখ থাকা বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস (BSR) পার্ট-১ এর বিধি-১৯৭ (১) এর আলোকে এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন বা প্রজ্ঞাপন বিদ্যমান, যা প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তার জানা থাকা জরুরি।প্রজ্ঞাপনের প্রেক্ষাপট ও মূল বিধান
১৯৮৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ শাখা (শাখা-২) থেকে জারি করা S.R.O. 385-L/85 নম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, পার্ট-১ এ একটি বিশেষ সংশোধনী আনা হয়।এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিধি-১৯৭, উপ-বিধি (১) এর শেষে একটি নতুন শর্ত (Proviso) যুক্ত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে:"Provided that such leave with pay and allowances shall not be admissible more than twice during the tenure of service of a female Government Servant."অর্থাৎ, একজন নারী সরকারি কর্মচারী তাঁর সমগ্র চাকরি জীবনে দুইবারের বেশি বেতন ও ভাতাসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি প্রাপ্য হবেন না।নথি উপস্থাপনে এর গুরুত্ব
প্রশাসনিক কাজে যখন কোনো নারী কর্মচারীর ছুটির আবেদন প্রক্রিয়া করা হয়, তখন কেবল মৌখিক তথ্য বা সাধারণ ধারণা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া আইনসম্মত নয়। যারা নথি বা নোট উপস্থাপন করেন, তাঁদের জন্য এই প্রজ্ঞাপনের রেফারেন্সটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সঠিক রেফারেন্স প্রদান: নথিতে বিএসআর বিধি-১৯৭(১) এর সাথে এই প্রজ্ঞাপনের সূত্র উল্লেখ করলে সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।আইনি জটিলতা নিরসন: দুইবারের বেশি ছুটির আবেদন এলে এই বিধির আলোকে সেটি যাচাই করার সুযোগ থাকে।স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ: সরকারি আদেশ বা বিধি অনুসরণ করে নথি উপস্থাপন করলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।এক নজরে প্রজ্ঞাপনের তথ্য:
মন্ত্রণালয়: অর্থ মন্ত্রণালয় (অর্থ বিভাগ, নিয়ন্ত্রণ শাখা)।স্মারক নম্বর: MF(FD)/R-II/Leave-10/84(Part-I)/174(1000)।তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ (মূল প্রজ্ঞাপন)।সংশোধিত বিধি: BSR Part-I, Rule-197(1)।সরকারি চাকরিবিধির এমন সূক্ষ্ম বিষয়গুলো নথিতে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না এবং দাপ্তরিক কাজে গতিশীলতা আসে। সংশ্লিষ্ট মহলের জন্য এই ১৯৮৫ সালের প্রজ্ঞাপনটি তাই আজও একটি অপরিহার্য দলিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Hacklink Hacklink Satış бэклинки marsbahis hacklink market casibom marsbahis - marsbahis giriş